Saturday, October 1, 2022
Homeঅন্যান্যপুরুষের তুলনায় ৩ গুণ বেকার উচ্চশিক্ষিত নারীরা

পুরুষের তুলনায় ৩ গুণ বেকার উচ্চশিক্ষিত নারীরা

শিক্ষিত নারীদের বেকারত্বের হার পুরুষের তিন গুণ অনেক বেশি। সরকারের দুই পৃথক সংস্থার গবেষণায় উঠে এসেছে এই চিত্র। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র কাঠামো যথেষ্ট নারীবান্ধব না হওয়ায় অনেক উচ্চশিক্ষিত নারী কর্মক্ষেত্রে আসছেন না। এতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে অর্থনীতিতে নারীর অবদান। তবে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষায় বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ।

শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান বুরোর গবেষণা বলছে, উচ্চ মাধমিক পর্যায়ে নারীর উপস্থিতির হার ৪৮.৪৩ শতাংশ। আর বিশ্ববিদ্যালয়ে এ হার ৩৬.২৩ শতাংশ। প্রতিবছরই বাড়ছে এ হার। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান বুরোর (ব্যানবেইজ) ২০১৯ সালের গবেষণা অনুযায়ী- প্রাথমিক শিক্ষায় নারীর উপস্থিতি ৫১.০৮ শতাংশ, মাধ্যমিকে ৫৩.৮৩ শতাংশ, উচ্চমাধ্যমিকে ৪৮.৪৩ শতাংশ, বিশবিদ্যালয় পর্যায়ে ৩৬.২৩ শতাংশ। এদিকে পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৬-১৭ এর শ্রমজরিপ অনুসারে দেশে নারীর বেকারত্বের হার পুরুষের তুলনায় প্রায় ৩ গুণ। উচ্চশিক্ষিত নারীদের ২১.৪ ভাগ বেকার হলেও পুরুষ মধ্যে বেকার ৮.৩ ভাগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগ অধ্যাপক জোবাইদা নাসরীন বলেন, ‘চাকরি পেতে সমস্যার পাশাপাশি অনেক উচ্চশিক্ষিত নারীই বিভিন্ন কারণে কাজে যোগ দিতে অনাগ্রহী।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সানজিদা আক্তার বলেন, ‘উচ্চশিক্ষিত নারী-পুরুষ দেশের সম্পদ। নারীদের অধিক সংখ্যায় কর্মক্ষেত্রে আনতে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রয়োজন নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র।’ উচ্চশিক্ষায় নারীর উপস্থিতি বাড়লেও কমেনি নিপীড়ন।

তাই, নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়ানো। তাতে করে নারীর অবস্থানের আমূল পরিবর্তন হবে বলে মনে করছেন সমাজ চিন্তকরা।

Advertisement