Thursday, December 8, 2022
Homeসব খবরক্রিকেটওইদিন রাতে ঘুমাতে আমাদের সবার কষ্ট হয়েছে : তাসকিন

ওইদিন রাতে ঘুমাতে আমাদের সবার কষ্ট হয়েছে : তাসকিন

আগামী ৬ নভেম্বর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে টাইগাররা।ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল দশটায়। এই ম্যাচে জয়লাভ করলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে পারবে না বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে তাদেরকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলির দিকে। তবে অলৌকিক কিছু করতে চান বাংলাদেশের দলের ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ। ভারতের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে আর দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।

দুটি ম্যাচেই স্পষ্ট ফেভারিট ভারত আর দক্ষিণ আফ্রিকা। সে ক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার হারতে হবে নেদারল্যান্ডসের কাছে এবং বাংলাদেশকে জিততে হবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশের সুযোগ তাই নেই বললেই চলে। তবু পেস তারকা তাসকিন আহমেদ আশ করছেন অলৌকিক কিছুর। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, “এই গ্রুপের বেশির ভাগ ম্যাচই কিন্তু ইন্টারেস্টিং হচ্ছে, এখনো কিন্তু যেকোনো কিছু হতে পারে। অলৌকিক কিছুও হয়ে যেতে পারে।”

গ্রুপ-২-এর শীর্ষ দল ভারতের অর্জন চার ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। তাদের রানরেট ০.৭৩০। চার ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা (১.৪৪১)। চার ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-২-এর পয়েন্ট তালিকার চারে বাংলাদেশ (-১.২৭৬)।

সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পেলেও রান রেটে এগিয়ে থাকায় তিন নম্বরে পাকিস্তান (১.১১৭)। এই সমীকরণে দাঁড়িয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে সর্বোচ্চটা দেওয়ার প্রতিজ্ঞা তাসকিনের মুখে, “শেষ ম্যাচে একই স্পিরিট নিয়ে নামব। ভালো খেলে জিততে চাইব, যদি ম্যাচ জিততে পারি, তখন দেখা যাবে কী হিসাব-নিকাশ হয়। আসল লক্ষ্য পরের ম্যাচটা জেতা”।

ভারতের বিপক্ষে অ্যাডিলেডের ডাগআউটে তাসকিন আহমেদের চোখ ছলছল করা মুহূর্তটি এখনও তরতাজা। সেই হার নিয়ে এখনও চলছে আলোচনা সমালোচনা, ভক্ত হতে ক্রিকেটার কেউই বাদ নেই। তাসকিন জানালেন সেই হারের পর তাদের রাতে ঘুমাতে কষ্ট হয়েছে। পেশাদারিত্বের খাতিরে এখন তাদের মনোযোগ পাকিস্তান ম্যাচে। তাদের হারিয়ে শেষটা সুন্দর করার ইচ্ছার কথা জানালেন ডানহাতি এই পেসার।

“আসলে যে কোনও ম্যাচেই হারলে খুব খারাপ লাগে। ওইদিন রাতে ঘুমাতে আমাদের সবার কষ্ট হয়েছে, সত্যি কথা। তো ম্যাচ হেরে খারাপ লাগছে, কিন্তু এখন থেকে অনেক কিছু ইতিবাচক নেওয়ার আছে যে ভালো ক্রিকেট খেলছি, উন্নতি করছি। দোয়া করবেন যেন শেষটা ভালো করে আমরা দেশে যেতে পারি।”

Advertisement