Saturday, December 10, 2022
Homeসব খবরক্রিকেট‘আলহামদুলিল্লাহ আমরা ম্যাচটি জিততে পেরেছি’

‘আলহামদুলিল্লাহ আমরা ম্যাচটি জিততে পেরেছি’

জিম্বাবুয়েকে ১৫১ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় টাইগাররা। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪৭ রানে শেষ হয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। ফলে ৩ রানের জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে চলে এসেছে সাকিবের দল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশ।

তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয়টা মোটেও সহজ ছিল না বাংলাদেশের। কারণ শেষ ওভারের শেষ বলে জয় নিশ্চিত করতে হয়েছে সাকিব বাহিনীর। সেই শেষ বল জুড়েও ছিল নাটকীয়তা। মোসাদ্দেকের শেষ ওভারে জিম্বাবুয়ের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৫ রান। ২০তম ওভারের মোসাদ্দেকের শেষ বলটি ব্যাটের ছোয়া না লেগে সরাসরি চলে যায় কিপারের গ্লাভসে। ফলে আপাতদৃষ্টিতেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। কিন্তু না! উইকেটরক্ষক সোহানের ভুলে শেষ হয়েও হয়নি শেষ।

টিভি ক্যামেরায় দেখা যায় বলটি স্ট্যাম্পের আগে থেকেই তালুবন্দি করেছেন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। ফলে স্ট্যাম্পের আগে থেকে বলটি তালুবন্দি করায় ‘নো বল’ ঘোষণা হয় সেই ডেলিভারিটি। যার কারণে আরও অতিরিক্ত এক রান ও একটি বল পেয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ফলে শেষ বলে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল ৪ রান। আবারও বল হাতে নিয়ে যান মোসাদ্দেক। এবারও শেষ বলটি ব্যাটে লাগাতে পারেননি মুজারাব্বানি। ফলে ৩ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।

চরম নাটকীয়তার এই ম্যাচে জয়ের টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানালেন, শেষ বলের আগেই সোহানকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। তবুও এই ভুল কিভাবে হলো সেটাই যেনো তার বিশ্বাস হচ্ছে না।

ম্যাচ শেষে সাকিব বলেন, ২০তম ওভারের ৫ম বলে সোহান একটি স্ট্যাম্পিং করেন। আমি তখনই ওকে সতর্ক করে বলেছিলাম বল তালুবন্দি করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে। তবুও সে শেষ বলে এই ভুল কিভাবে করলো সেটা আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না। সাকিব আরও বলেন, এরপর আমি শেষ বলের আগে মোসাদ্দেকের সঙ্গে কথা বলতে যাই। ও আমাকে আস্বস্ত করে সবকিছু নিয়ন্ত্রনে আছে। কিন্তু তবুও আমি খুব চিন্তিত ছিলাম।

সাকিব মনে করেন ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিল সেই রান আউট। অধিনায়ক বলেন, আমি মনে করি ম্যাচের গুরুত্বপূর্ন মোমেন্ট ছিল উইলিয়ামসের রান আউট। তবে মোসাদ্দেককেও কৃতিত্ব দিতে হয়। সে শেষ ওভারে তার কাজটা করতে পেরেছে।

এদিকে, টাইগার পেসার তার পুরস্কার গ্রহণ করতে গেলে সঞ্চালক বলেন, ‘শেষ বলে এমন নো বলের ঘটনা এবারই প্রথম দেখতে হলো আমাদের।’ জবাবে তাসকিন বলেন, ‘হ্যাঁ! শেষ বলে এরকম নো বল বা ম্যাচ পরিস্থিতি বোধ হয় এবারই জীবনের প্রথম দেখলাম। ওই সময়ে আমরা খুবই চিন্তিত ছিলাম। তবে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ম্যাচটি জিততে পেরেছি।’

তাসকিন আরও বলেন, ‘আমি সবসময়ই আমার উন্নতির দিকে বেশি নজর দিচ্ছি এবং আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আলহামদুলিল্লাহ সেটা করতে পেরে আমি খুশি। তাসকিন আরও বলেন, আমাদের বর্তমানে বেশ ভালো মানের কিছু পেস বোলার রয়েছে। সম্পূর্ন কোচিং প্যানেল আমাদের সমর্থন জোগাচ্ছে।’

Advertisement