Thursday, October 6, 2022
Homeসব খবরবিনোদনআমি এখন গর্বিত মা, আমার ডানা বেড়ে গেল :...

আমি এখন গর্বিত মা, আমার ডানা বেড়ে গেল : পরীমণি

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি প্রথমবারের মতো মা হয়েছেন। গত ১০ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার কোলজুড়ে এসেছে পুত্রসন্তান। এর মাধ্যমে জীবনের নতুন ধাপ শুরু হলো পরী ও তার স্বামী শরিফুল রাজের।

রাজ-পরী তাদের পুত্রের নাম রেখেছেন শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।সন্তান জন্মের পর থেকে হাসপাতালেই আছেন পরী। বাচ্চার পাশে দারুণ সময় কাটছে এই তারকা দম্পতির।শনিবার দুপুরে রাজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘বাচ্চা ও পরী এখন সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। আমি, আমার মা, সন্তান ও পরীর সঙ্গে থাকছি। পরীমনি সারাক্ষণ বাচ্চাকে আগলে রেখেছে। এক সেকেন্ডও চোখের আড়াল হতে দিচ্ছে না।

এই অভিনেতা বলেন, ‘গত নয়-দশ মাস পরীমনি অনেক কষ্ট করেছে, অনেক ধৈর্য ধরেছে। আমার শুটিং, আমার সিনেমা মুক্তি—সব ম্যানেজ করেও আমি এত দিন তাঁর কষ্ট ভাগাভাগি করতে ছায়ার মতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। পরী এখন তাঁর নিজের মতো করে সন্তানের সঙ্গে সময় সেলিব্রেট করছে।’সন্তান জন্মের পর স্বামী রাজের সঙ্গে প্রথম কী কথা হয়েছিল পরীর?—জানতে চাইলে রাজ বলেন, ‘হাসিমাখা মুখে আমাকে তাঁর প্রথম কথা ছিল, ‘‘এত দিনের জার্নি শেষ হলো। আমি এখন একজন গর্বিত মা। আমার ডানা বেড়ে গেল। এখন আরও ভালোভাবে আকাশে উড়তে পারব।’’ ওই সময় আমি অনেকটাই আবেগময় হয়ে পড়েছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরীমনি মাঝেমধ্যে বলছে, তার নাকি এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না, তার সন্তান পৃথিবীতে এসেছে। সে একজন মা হয়েছে। বাচ্চা ও মা পাশাপাশি শুয়ে থাকার এত সুন্দর দৃশ্য দেখে মাঝেমধ্যে তার মনে হয় স্বপ্ন দেখছে।’এর আগে সন্তান ও পরীর সঙ্গে ৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও শুক্রবার রাতে ফেসবুকে পোস্ট করেন রাজ। সেই ভিডিওর ক্যাপশনে রাজ লেখেন, ‘আমার জীবনে কী সুখ তুমি নিয়ে এসেছ তা বোঝাতে পারব না। জীবনের নতুন অর্থ পাওয়াটা আশীবার্দস্বরূপ, তবে তোমার সঙ্গে দেখা হওয়াটাই আমার জীবনের মোড় পাল্টে দিয়েছে।‘তোমার সঙ্গে থাকতে পেরে নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করছি। তুমিই আমার সব এবং সর্বস্ব উজাড় করে তোমাকে ভালোবাসি…তুমি হবে সেরা মা।’

সম্প্রতি ফেসবুকে এক পোস্টে পরীর উদ্দেশে রাজ লেখেন, ‘হ্যাঁ, তুমি এটা করেছ আমার প্রিয় সঙ্গী। আমি সততার সঙ্গে বলতে পারি যে, এটি আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত।’ছেলে রাজ্য যেন তারকার মতো বড় হয়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে রাজ লেখেন, ‘ওই ছোট পা আমাদের হৃদয়ে সবচেয়ে বড় পায়ের ছাপ তৈরি করেছে। তোমরা দুজনই (পরী ও রাজ্য) আমার জীবনে অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছ।‘সে (রাজ্য) যেন তারার মতো বেড়ে ওঠে এবং তাদের বাবা-মার মতো সাহসী হয়। অনেক অনেক অভিনন্দন আমার রকস্টার।’

Advertisement